দ্বিতীয়
আত্মা
নুশরাত
রুমু
কবিতা
স্বপ্নের
পীযূষধারা বিলাও তুমি হৃদয়ে সবার।
তোমার
স্পর্শে আমি হয়ে উঠেছি সৃষ্টিশীল,
সমাজের
দানা বাঁধা বিচ্যুতির প্রতিবাদে সোচ্চার হই।
কবিতা
তোমার
জন্যই জাগ্রত হয় ম্লান বিবেক।
শাণিত
হয় নিমজ্জিত সাধনার সংগ্রাম,
দুঃসময়কে
জয় করার আশায় বুঁদ হয়ে থাকি আপাদমস্তক।
কবিতা
একমাত্র
তুমিই দেখতে পাও ফুলের কান্না যখন সে ঝরে পড়ে।
অশ্রুর
আয়না প্রতিফলিত হয় তোমার সুক্ষ্ম
কৌশলে,
রাত্রির
ডানায় চেপে চলে তোমার বিষাদের অভিযান।
কবিতা
প্রজাপতির
পাখনায় যৌবনের পাল তুলে দাও তুমি ।
ইতিহাসের
সন্ধিক্ষণে ভ্রুকুটি জানায় তোমার অভিব্যক্তি,
উদ্ধেলিত
হয় মনের সুপ্ত প্রেম তোমার দীপ্ত পদচারণায়।
কবিতা
তুমি
চিরদুর্জয়।
অবিচ্ছেদ্য
দ্বিতীয় আত্মা আমার,
সৌন্দর্যের
মদিরায় আকণ্ঠ ডুবে তোমার --
হতে
চাই আমি নেশাতুর।
কবিতা দিবসের কবিতা
হামিদুল আলতাফ
আজকে
নাকি কবিতা দিবস
শুনছি
সবার কাছে,
একটা
কিছু না লিখলে আজ
কবির
মান কি বাঁচে ?
কবিতা
লিখবো বললেই কি
কবিতা
লেখা হয়,
জানতে
হবে কবিতা লেখার
ছন্দ
তাল ও লয়।
আমিতো
এক মুর্খ কবি
ছন্দ
তাল কি বুঝি,
লয়
খুঁজতে ক্ষয় হয়ে যায়
আমার
জ্ঞানের পূঁজি।
তবু
আমি কবিতা একখান
লিখার
চেষ্টা করে,
হয়না
ছন্দ তাল লয় কিছু
উৎসাহ
যায় মরে।
কবিতা
নাকি আকাশে থাকে
চন্দ্র
সুর্য্য তারায়,
কবিতা
থাকে সাগর নদী
পাহাড়ি
ঝর্ণা ধারায়।
বন
বাদারে ফুল পাখী আর
গাঁয়ের
বঁধূর মুখে,
কবিতা
থাকে দিগ্বালিকার
স্বপ্ন
ভরা চোখে।
তাইতো
আমি কবিতা লেখার
অনেক
চেষ্টা করে,
পারিনা
কিছু লিখবো কি ছাঁই
হাল
দিয়েছি ছেড়ে।
সচিত্র স্বদেশ
কবিতা দিবসের কবিতা
তবুও
আমি এ পাড়াতেই থাকি
এ
পাড়াতেই নাকি বোম ফাটে হররোজ,
এইখানাতেই
বনলতাদের বাস
কেউ
তো রাখেনি কোনদিন তার খোঁজ।
দুটো
গলি নিয়ে পাড়াটার সীমানা ঘেরা
কর্ম
শেষে অবসন্ন দেহে পথিকের ঘরে ফেরা,
এর
ভিতরেও বেমক্কা দুএকজন, হিরোইজমে মাতে
চোখে
সানগ্লাস, বাবরি চুলেতে, ফিফটি ফাইভ হাতে।
এ
পাড়াতেও ভ্যাগাবণ্ডের দল, মিছিল
হচ্ছে বড়
দ্রব্যমুল্যের
উর্ধ্ব গতিতে জীবনটা জড়সড়,
এ
পাড়াতেই নাকি অমলকান্তি থাকে, রোদ্দুর হওয়ার সাধ
বাজারের
ব্যাগ শুন্য ঝুলি, অভাব রয়েছে অগাধ।
পাড়ার
গলিতেই প্রেমিক প্রেমিকার বাস
গোপনে
ফেলছে প্রেম হারানোর গভীর দীর্ঘশ্বাস,
ঝড়ের
গতিতে রাজপুত্তুর হঠাৎ করে এসে
মধ্যবিত্তের
প্রেম কিনে নেয় পেট্রো-ডলারে হেসে।
তবুও
আমি এ পাড়াতেই থাকি
অমলকান্তির
রোদ্দুর হওয়া যে, এখনও ঢের বাকী,
বনলতাদের
ঠিকানা যায়নি এখনো ঠিক পাওয়া
পেট্রো
ডলারে বেচা কেনা প্রেম, পাবো কি বন্ধ হওয়া।
এপাড়াতেই
আমার বসবাস, এপাড়াকেই ভালবাসি বেশ
এপাড়াকেই
ভেবে নিতে পারো সচিত্র প্রিয় স্বদেশ।
শওকত
জাহিদ
কবিতা
দিবসের কবিতা
কবিতা
যদি আসতে চায় আসুক
তাকে
বাঁধবনা সময়ের অবকাশে
সে
যদি বলতে চায় কিছু কথা
ওকে
বলতে দিই নিজের মত ভাবাবেশে
কবিতা
যদি আসতে চায় প্ৰেম বিরহ ব্যথা নিয়ে
সমব্যথী
হই সত্য সে চিরতরে
সে
যদি সহবাসী হয় একরাতে সমকামী
হয়ে
সৃজন
উচ্ছ্বাসে ওকে মন দেওয়া যেতে
পারে
শেষ
পথ ধরে যেতে যেতে সে যদি ধর্ষিতা
কুমারী হয়
ফেরায়
ঘরে সমাজের মূল স্রোতে
কবিতা
যদি প্রতিবাদী ভাষা হয়ে আসে
তবে
কবিতা আসুক আজ রাতে
যে
মাটি বিক্রি হয় প্রতিদিন রাতের
গভীরে
কবিতা
আসুক নিরন্ন, প্রেম নিঃস্ব বিপ্লব পলাশে
কবিতা
হোক সংগ্রামী শব্দের রক্ত
কবিতা
আসুক বাঁচবার গান হয়ে ধ্বংসের বিনাশে
উষা
ভোরে কবিতা হোক ফুল হাতে রমণী
কবিতা
হোক আমার বিধর্মী চেতনা
বিচ্ছেদ
ব্যবধান দূরে রেখে কবিতা হোক সূর্য
একমুঠো
কবিতা বন্ধুর হাতে হাতে কেটে যাক বেদনা
কবিতা
আসুক সত্য ন্যায় ,মিথ্যের পরাজয়ে
কবিতা
আমার অ-বান্যিজ্যিক কলমের
পঞ্জিকা
কবিতা
নিঃস্বার্থ মোমের মিছিলে মিছিলে
কবিতা
আমার আঁধার মনে আলোক বর্তিকা ,,,,
- পিন্টু
কবিতা
দিবসের কবিতা
খসরু
ভাস্কর
কবিতা
তোমায় কত যে ভালবাসা
দিলাম কিন্তু তুমি ধরা দিলেনা সহজে
তোমার
শরীরে শব্দালঙ্কার পরাতে হয়, তোমার পায়েলে ছন্দ তোলা তাল কবি মনে ঝঙ্কার তোলে, তা কে না
বোঝে, ভুলে যাই সহজে।
অতসব
তোমায় দিতে পারিনা, সেটা আমার দীনতা
যতই
আমি জ্ঞানশুন্য হই, ভালোবাসার হৃদয় তো আছে
কবিতা,
তুমি আমার সামনে উলঙ্গ থাকতে চাও না!
সেজেগুজে
থাকতে চাও, নাও না যতটুকু পাও।
অনুভূতি
আবেক কল্পনা জল্পনা সবই তো আছে আমার।
ভালো কথা, ভালো ভাব, প্রকাশ ভঙ্গি হয়তো ততটা ভালো নয়, মনের বিচার করে তুমি আমার কাছ থেকে দূরে যেও না। তুমি হারিয়ে গেলে, আর তো তোমায় পাবো না, পাবনা কবিতা! যতটুকু পারি সবই দেব তা।
